হুমায়ূন আহমেদের গল্প: যে ভুবন চেনা, আবার চেনাও নয় | ফারুক আহমেদ

হুমায়ূন আহমেদের গল্প: যে ভুবন চেনা, আবার চেনাও নয় | ফারুক আহমেদ

🌱

হুমায়ূন আহমেদের ছোটগল্পের যে বিপুল ভাণ্ডার তা আমাদের ভেতর কি বিশেষ কোনো চেতনাপ্রবাহের বিস্তার ঘটাতে সক্ষম হয়েছে? যদি আবেগমথিত হয়ে, মুগ্ধতা সহযোগে তাঁর গল্পে প্রবেশ করি, অথবা একদম এর বিপরীত বোধ নিয়ে—সহজ-আটপৌরে শব্দ, সরলরৈখিক, উপমা-চিত্রকল্প-কারুকার্যহীন বর্ণনা—এমন সব সাহিত্যরহিত অনুষঙ্গ মাথায় নিয়ে তাঁর গল্পে যদি ঢুকে পড়ি। তাতেও একইরকম অনুভূতি হবে; আর তা হলো—অজগরের শিকারে পরিণত হওয়ার মতো একটা ব্যাপার। হুমায়ূন আহমেদের গল্পের জগত্ অজগরের মতো এমনভাবে পেঁচিয়ে ধরে যে, মনে হয় দম বন্ধ হয়ে আসছে। মনে হয় এক অন্ধ কুঠরির ভেতর ঢুকে তার গোলকধাঁধায় আটকা পড়ে গেলাম। অর্থাত্ আপাতসরল, অলংকারবর্জিত, চিত্রকল্পহীন, কোথাও অনুপুঙ্খ বর্ণনা চোখে পড়ে না—ভালো গল্পের এরকম অনেক লক্ষণই যে নেই। এসব না থাকার কারণেই যা আছে, তা হলো পরিমিতিবোধ। আধুনিক গল্পের অন্যতম সারাত্সার—এই পরিমিতিবোধটুকু। হুমায়ূন আহমেদ সেই গল্পকার যিনি কাহিনি তৈরি করেছেন এবং সেই কাহিনিসর্বস্ব গল্পের ভাঁজে ভাঁজে দেগেছেন অভাবনীয় পরিমিতির নিশানা।

‘রূপা’ নামে তাঁর একটা গল্প আছে। এটা তাঁর লেখা প্রথম দিককার গল্প। একটা রেলস্টেশনে লেখকের সঙ্গে গল্পকথকের দেখা এবং গল্পকথক নিজেই বর্ণিত গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র। লেখার বর্ণনা বরীন্দ্রনাথের ‘ক্ষুধিত পাষাণ’-এর কথা মনে করিয়ে দেয়। একটা রেলস্টেশন, লেখক এবং আগন্তুকের ভেতর গল্পের আদান-প্রদান—এ সবকিছু ‘ক্ষুধিত পাষাণ’-এর মতোই। কিন্তু শেষ হওয়ার পর মনে হয় এ হলো রবীন্দ্রনাথের আরেক গল্প ‘শুভ দৃষ্টি’র আধুনিক সংস্করণ। এই ‘রূপা’ ছাড়াও ‘বুড়ি’, ‘একটি নীল বোতাম’ ইত্যাদি গল্প পাঠে ও’ হেনরির কথা মনে আসে। এসব গল্পের শেষে পৌঁছে হেনরিসুলভ চমকের সন্ধান পাওয়া যায়। তবে পরবর্তী সময়ে, বা এসব গল্প লেখার সমসময়ে হুমায়ূন আহমেদ এমন অগণিত গল্প লিখেছেন—যেসব স্যুররিয়ালিস্টিক। যেসব গল্পে বাস্তব স্বপ্নের দিকে, আবার স্বপ্ন বাস্তবের দিকে অগ্রসর হয়ে পরস্পর একাকার হয়ে গেছে। স্বপ্ন এবং বাস্তবতার ভেতর একটা যোগসূত্র তৈরি হয়ে গেছে। এসব গল্প পাঠে মনে হয়, স্বপ্ন দিয়ে বুনন করা মায়াজালে আটকা পড়ে গেলাম।

পশ্চিম থেকে আগত যেসব মতবাদ দ্বারা শিল্পসাহিত্যের চেহারা নির্ধারণের চেষ্টা করা হয়, তেমনি এক মতবাদের নাম জাদুবাস্তবতা। এ মতবাদটি সাহিত্যে এখন রাজার আসনে। গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ কর্তৃক প্রণীত বা বলা যায় তাঁর থেকে আহরিত (তেমনিই ধরা হয়) এই মতবাদের খোঁজ পেলে আমরা আপ্লুত হয়ে পড়ি। এই জাদুবাস্তবতা বা  তারই কাছাকাছি স্যুররিয়ালিটির মতো বিষয়-আশয় ছড়িয়ে আছে হুমায়ূন আহমেদের গল্পে। আর গল্পগুলো এমন আশ্চর্য নিপুণতায় রচিত যে, তা পড়ে মুগ্ধ না হয়ে আর উপায় থাকে না।

‘পিঁপড়া’ নামে হুমায়ূন আহমেদের একটা গল্প যখন পিপীলিকার মতো একটু একটু করে দলবেঁধে আমাদের দিকে আসতে থাকে, তখন দিগ্ভ্রান্ত হতে শুরু করি। ডাক্তার নূরুল আফসারের কাছে আসা রোগী মোহাম্মদ মকবুল হোসেন ভূঁইয়ার এক অস্বাভাবিক রোগের বিবরণের মধ্য দিয়ে গল্পের শুরু। আর তা আস্তে আস্তে আমাদের নিয়ে যায় এক পাশবিক জগতে। যে পাশবিকতা অ্যালান পো’র গল্পে বর্ণিত জগত্ থেকে কোনো অংশে কম নয়।

গল্পের কাহিনিটা এমন—একটা মানুষ যাকে পিঁপড়া কামড়ায়। সে যেখানেই যায় পিঁপড়া থেকে তার রেহাই নেই। পিঁপড়ারা এসে তাকে কামড়াতে শুরু করে। এই অবিশ্বাস্য গল্পটা ডাক্তারের বিশ্বাস হয় না। তাঁর কাছে এ বিশ্বাসযোগ্য নয়। কিন্তু দেখা গেল ব্যাপারটা ডাক্তারের সামনেই ঘটছে। ‘তিনি দেখলেন, টেবিলের উপর রাখা মকবুলের ডান হাতের দিকে একসারি লাল পিঁপড়া এগুচ্ছে। পিঁপড়ারা সচরাচর এক লাইনে চলে, এরা তিনটি লাইন করে এগুচ্ছে।’

এরমই ঘটনা। কিন্তু এ ঘটনার নেপথ্যে যে কাহিনি—তা শুনে গা শিউরে ওঠে। মনে হয় কী ভয়ংকর! কী ভয়ংকর!! রোগী মুহাম্মদ মকবুল গ্রামের মাতব্বর, বিত্তশালী এবং নারীবর্তী মানুষ। ফলে সে তার দূরসম্পর্কের এক বোনের মেয়েকেও ছাড় দেয় না। এমন ঘটনায় মা আত্মহত্যা করে এবং মেয়েকে ইঁদুর মারার বিষ খাইয়ে হত্যা করে। মকবুলের কিছু হয় না। থানা, পুলিশ সব ঠিকঠাক, লাশ দুটো পড়ে থাকে ৩ দিন। তখনই ঘটনাটা ঘটে। পুলিশ এসে দেখে লাখ লাখ লাল পিঁপড়ায় লাশ দুটো ঢেকে রেখেছে। মকবুলের বিবরণ—‘আমি একটা সিগারেট ধরাইলাম। সিগারেটের আগুন ফেলার সাথে সাথে মেয়েটার শরীরের সবগুলা পিঁপড়া নড়ল। মনে হল যেন একটা বড় ঢেউ উঠল। তারপর সবগুলি পিঁপড়া একসঙ্গে মেয়েটাকে ছাইড়া মাটিতে নামল। মেয়েটার চোখমুখ সব খাইয়া ফেলেছে— জায়গায় জায়গায় হাড্ডি বের হয়ে গেছে। দারোগা সাহেব রুমাল দিয়ে নাক চেপে ধরে বললেন, মাবুদে এলাহী। তারপর অবাক হয়ে দেখি সবগুলি পিঁপড়া একসঙ্গে হয়ে আমার দিকে আসতেছে। ভয়ংকর অবস্থা। আমি দৌড় দিয়ে বাইরে আসলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে পিঁপড়াগুলি বাইরে আসল। মনে হইল আমারে খুঁজতেছে। সেই থাইক্যা শুরু। যেখানে যাই পিঁপড়া।’

গল্পের শুরু খুবই আটপৌরে ঢঙে। তবে খুব বেশি সময় তা আর আটপৌরে থাকে না। আমরা একটু একটু করে কুঁকড়ে যেতে থাকি, আমরা একটু একটু করে বাক্রহিত হয়ে পড়ি। বেদনায় আমাদের মুখ হা হয়ে যায়। শেষে মনে হয় এই বুঝি জাদুময় বাস্তব। কোনোমতেই বিশ্বাস হচ্ছে না। আবার অবিশ্বাসেরও কোনো উপায় নেই।

তবে এমন পরিণতির শিকার মকবুল যখন ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছেন, তখনও তার কথায় শ্লেষ। আত্মহত্যা করা তার দূর সম্পর্কের বোনকে বদের হাড্ডি বলছেন, মাগী বলে গাল দিচ্ছেন। হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্ট চরিত্রদের দেখা যায়—তারা এমনই। তারা বিপদের সময়ও রঙ্গতামাশা করার সুযোগ পেলে তা থেকে পিছপা হয় না। এ গল্পেও এমন অনেক সংলাপ রয়েছে যা ঠিক গল্পের সঙ্গে যায় না। যে মানুষটার অবস্থা ত্রাহি ত্রাহি, যে বেঁচে থাকার আকুতি নিয়ে, একটা অভিশাপ থেকে রক্ষা পেতে ব্যাকুল, যে অভিশাপগ্রস্ত বলে নিজেকে অভিযুক্ত করছে। তার মুখ দিয়েই এমন সব সংলাপ বেরিয়ে আসা বাতুলতাই। তবে হুমায়ূন আহমেদের রচিত চরিত্রেরা এরকমই, তা মেনে নিলে দেখা যাবে, তিনি সত্যিই এক অদ্ভুত গল্প ফেঁদেছেন। একজন সামন্ত শ্রেণির মানুষের চরিত্রকে সহজ ভঙ্গিমায়, এমন দক্ষতায় এঁকেছেন—যার তুলনা হয় না। আর আমরা এডগার অ্যালান পো’র গল্প পড়ে যে বর্বরতর চিত্র দেখতে পাই, যাতে আমাদের গা শিউরে শিউরে ওঠে, তা যেন এ গল্পেও আছে। হয়তো হুমায়ূন আহমেদ এলান পো দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন, যেমন হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। দুজনের ক্ষেত্রে এলান পো’র প্রভাব যদি ধরেও নেয়া হয় তাহলেও—জীবনানন্দ দাশ যেমন ‘টু হেলেন’ থেকে বেরিয়ে ‘বনলতা সেন’কে দিয়েছেন অমরত্বের সিংহাসন, তেমনি হুমায়ূন আহমেদও পেরেছেন। বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের ‘পিঁপড়া’ গল্পটা যে অমরত্বের দিকেই ঝুঁকে আছে।

তার ‘দ্বিতীয় জন’ প্রিয়াংকা নামে সদ্য বিবাহিত এক তরুণীর অদ্ভুতুড়ে রোগ ঘিরে আবর্তিত। প্রিয়াংকার দাম্পত্য জীবনের অভিজ্ঞতাই এই গল্পের কেন্দ্রে। মেয়েটির ভেতর এমন একটা গল্প তৈরি হতে থাকে, যা কাউকে বলতে পারে না, এমনকি স্বামী জাভেদকেও না। কেননা যে অদ্ভুত রোগ প্রিয়াংকাকে গ্রাস করেছে, তার হোতা যে জাভেদ নিজেই। প্রিয়াংকার মতে, গম্ভীর, বয়স্ক এবং ভালো একটা মানুষ। যে প্রিয়াংকার পাশে নির্দ্বিধায় ঘুমিয়ে থাকে, যে স্ত্রীর ব্যাপারে যত্নশীলও। কিন্তু প্রিয়াংকা ঘুমাতে পারে না। পাশে মানুষটা শুয়ে আছে দেখার পর সে আরও একজনকে আবিষ্কার করে। সেই একজনও জাভেদ, তার স্বামী।

‘ভারী অথচ মৃদু গলায় কেউ-একজন কাশল, ইজিচেয়ার টেনে সরাল। নিশ্চয়ই মনের ভুল। তবু প্রিয়াংকা আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল। না— আর কোন শব্দ নেই। শুধু সদর রাস্তা দিয়ে দ্রুতবেগে ট্রাক যাওয়া-আসা করছে। তাহলে একটু আগে পাশের ঘরে কে শব্দ করছিল। অবিকল নিঃশ্বাস নেবার শব্দ। প্রিয়াংকা দরজা ঠেলে পাশের ঘরে ঢুকেই জমে পাথর হয়ে গেল। ইজিচেয়ারে জাভেদ বসে আছে। হাতে বই। জাভেদ বই থেকে মুখ তুলে তাকাল। নরম গলায় বলল, কিছু বলবে?’

এই হলো প্রিয়াংকার অসুখ। যাতে আক্রান্ত হয়ে সে পাগল হয়ে যাচ্ছে বলে নিজেকে ঠাহর করতে শুরু করে। আবার কাউকে বলে এ থেকে পরিত্রাণ পেতেও সে অস্থির হয়ে ওঠে। কিন্তু বলতে পারে না। এভাবে গল্প এগোয় আর প্রিয়াংকা দিন দিন আরও অস্থির হতে থাকে। জাভেদ আগে একটা বিয়ে করেছিল এবং গল্পের শেষে এসে আমরা যখন জানতে পারি—

‘সকাল বেলা সত্যি সত্যি সব স্বাভাবিক হয়ে গেল। রাতে এ রকম ভয় পওয়ার জন্য লজ্জা লাগতে লাগল। জাভেদ কলেজে চলে যাবার পর সে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে মরিয়মকে তরকারি কাটায় সাহায্য করতে গেল। মরিয়ম বলল,

‘আফার শইল কি খারাপ?’

‘না।’

‘আফনের কিছু করণ লাগত না আফা। আফনে গিয়া হুইয়া থাকেন।’

‘এইমাত্র তো ঘুম থেকে উঠলাম এখন আবার কি শুয়ে থাকব?’

‘চা বানায়া দেই?’

‘দাও। আচ্ছা মরিয়ম, তোমার আগের আপাও কি আমার মতো চা খেত?’

‘হ। তয় আফনের মত চুপচাপ থাকত না। সারাদিন হৈচৈ করত। গান-বাজনা করত।’

‘মারা গেলেন কিভাবে?’

‘হঠাত্ মাথাডা খারাপ হইয়া গেল। উল্টা-পাল্টা কথা কওয়া শুরু করল— কি জানি দেখে।’

প্রিয়াংকা শংকিত গলায় বলল, কী দেখে?

‘দুইটা মানুষ নাকি দেখে। একটা আসল একটা নকল। কোনটা আসল কোনটা নকল বুঝতে পারে না।’

‘তুমি কী বলছ, তাও তো আমি বুঝতে পারছি না।’

‘পাগল মাইনষের কথার কি ঠিক আছে আফা? নেন চা নেন।’

এই গল্পের শেষে এসে কাজের মেয়ে মরিয়মের সঙ্গে প্রিয়াংকার আলাপচারিতার বিবরণ। কী সহজ ভঙ্গিতে গল্পকার এক ভয়ংকর ঘটনার বয়ান দিয়ে গেলেন। যে মানুষটা আপাত গম্ভীর, বিনয়ী, গল্পের পুরোটা পড়েও তার বাইরে আর কিছুই আঁচ করা যায়নি। সেই জাভেদের ভেতরের ভয়ংকর চরিত্রটি তুলে এনেছেন মাত্র কয়েক সংলাপে। যা আপাত ফ্যান্টাসি বলে মনে হচ্ছে, তাই আসলে এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি করে দেয় আমাদের। জাভেদ যার আপাত গম্ভীর, চেহারার ভেতরে যে মানুষটা, সে বড্ড অমানুষ, বর্বর। এরকমভাবেই একটা জাদুবাস্তবতার চাদর ছড়িয়ে হুমায়ূন আহমেদ আমাদের যে বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করান তা একজন শক্তিমান লেখকের পক্ষেই সম্ভব। সুতরাং তাতে মুগ্ধ না হয়ে আর উপায় কী?

এরকমই আরেকটি গল্প ‘বীণার অসুখ’। এই গল্প পড়তে গিয়ে ও’ হেনরির গল্পের যে চমকপ্রদতা তাই টের পাওয়া যায়। একইসঙ্গে আছে এডগার অ্যালান পো’র গল্পের গা শিউরে ওঠা বিবরণ। বীণা খুব সাধারণ এক মেয়ে, বীণার বিয়ে ঠিক হয়েছে, হবু স্বামীকে বীণার পছন্দ হয়নি—ইত্যাদি ইত্যাদি বর্ণনার মধ্য দিয়ে গল্প এগিয়ে যায়। গল্প এগুতে এগুতে শেষ যে বাঁকটা নেয়, তাতে মনে হয় কী বিষম, কী বিষম। শেষে এসে লোকটার খোলা ছাদে বসে থাকা, থেঁতলে যাওয়া পা থেকে চুইয়ে চুইয়ে রক্ত পড়ার দৃশ্য ইত্যাদি তো স্যুররিয়াল। যা আমাদের ঘা দিয়ে যায়, ভীষণ মন খারাপ করে দেয়। এ ধরনের অনেক গল্পই রয়েছে হুমায়ূন আহমেদের।

এসব নিয়েই হুমায়ূন আহমেদের গল্প। তাছাড়া তাঁর গল্পে আছে চেতনাপ্রবাহ নামে একটি সাহিত্যিক অনুষঙ্গ। যার মাধ্যমে সচেতন পাঠকের যে মন, সে মনকে জাগ্রত করে আধুনিক গল্পের বীজ বপন করেন। এই চেতনাপ্রবাহ নিয়েই বিখ্যাত লেখক ভার্জিনিয়া উলফ বলেছেন—১৯১০-এর ডিসেম্বর মাসের কাছকাছি সময় মানুষের চরিত্রটি পাল্টে গেছে…’। এই পাল্টে যাওয়ার স্বাদটা হুমায়ূন আহমেদের গল্পে আমরা পাই। আমরা একটি স্বপ্নময় বাস্তবতায় জগত্ তাঁর থেকে আবিষ্কার করি। তাতে আমাদের ভালো লাগে।

অনুধ্যান

Leave a Reply

Next Post

গুচ্ছ কবিতা | সরকার আমিন

Thu May 28 , 2020
গুচ্ছ কবিতা | সরকার আমিন  🌱 তোমার চোখই আমাকে ডাকাত করেছে আমি এক যাযাবর ৩৭৩/২২ লিলি হোমস আমার পৃথিবী! . ঘরে বসে আমি ভ্রমণ করি হিমালয় শরীরে টের পাই বরফের কুচি শরীরে শরীর মেখে ভ্রমণ করি দেহে খুঁজে পাই আহত আত্মা মেরামত করি যেন আমি এক ছাতা কারিগর ছিদ্র বন্ধ […]
Shares