শালার সাহিত্য  | সৌমিত্র শেখর

শালার সাহিত্য  | সৌমিত্র শেখর

🌱

লেখার শিরোনাম পড়ে বাঙালি পাঠক চমকে উঠতে পারেন কিন্তু ঢাকার আদি বাসিন্দা কুট্টি বা সুব্বাসিরা চমকাবেন না মোটেই। তারা অবশ্য বলতে ভালোবাসবেন: ’হালার ছাহিত্য’। কুট্টি বা সুব্বাসিদের কথায় পড়ে আসছি। আগে বলি, এই লেখাটি লেখার সময় ঢবঢবির মায়ের কথা খুব মনে পড়েছে।  শুধু ঢবঢবির মা নয়, মনে পড়ছে তার পুত্রকন্যাদের কথাও। সেই গফর, টাকি, সুকুমার, তুরুলি, ঢবঢবিÑ আরো কেউ কেউ। আমার একেবারে শৈশবের দিনগুলোতে পরিচিত পরিবারগুলোর মধ্যে এই একটি পরিবারই ছিল ব্যতিক্রম। দারিদ্র্যেতো বটেই, কথাবার্তা, চালচলন, এমন কি নামের দিক থেকেও। ওরা আবাস গড়েছিল দেবোত্তর সম্পত্তির এক কোনে, পাশেই ছিল রঘুনাথ মন্দির আর তার সামনের মাঠ। এই পরিবারটির সঙ্গে আমাদের, অর্থাৎ স্কুল-পড়–য়া কিছু কথিত ভদ্রলোকের সন্তান বলে পরিচিতদের পরিচয় ঘটে মাঠে খেলতে যাওয়ার সময়। ওদের ছেলেমেয়েগুলোর স্কুলে যাবার সামর্থ্য ছিল না। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেউ কেউ গেলেও প্রাথমিক-পর্ব পাস কারো ভাগ্যেই জোটে নি আর্থিক কারণে। তাই স্কুলে ওদের সঙ্গে বন্ধুত্ব হবার সুযোগ ছিল না। মা-বাবা আমাকে নিষেধ করতেন ওদের সঙ্গে মিশতে, আমার খেলার অন্য বন্ধুদের মা-বাবাও একই নিষেধ করতেন তাঁদের সন্তানদের। এই নিষেধের নানা কারণের একটি হলো, সাবলীলভাবে ওদের কণ্ঠ থেকে নিঃসৃত গালাগাল শিখবার ভয়। আমরা যাকে গালি ভাবতাম, ওরাও তাকে গালি ভাবত বটে। কিন্তু সেগুলো ওরা এতোটা অনায়াসে ব্যবহার করত, মনে হতো ঐ পরিবারের মানুষগুলোর জন্য সেগুলো যেন সাধারণ বুলি। গফর আমাদের চেয়ে বয়সে বেশ বড়, টাকি বড় বছর তিনেকের, সুকুমার বছরখানেকের। আমরা স্কুল-পড়–য়া প্রতিবেশী বন্ধুরা নিজেদের মধ্যে চাঁদা তুলে ফুটবল কিনে বিকেলে মাঠে যখন সেটা নিয়ে যেতাম, তখন প্রতি দিনই সুকুমার ঘুরঘুর করতে থাকত। ওকে খেলায় নেব নাÑ এই আমাদের প্রতিজ্ঞা! খেলায় নিলে মা-বাবার বকুনি শুনতে হবে। আমাদের এই প্রতিজ্ঞাটি প্রায়ই ভাঙতে হতো। কারণ আমাদের খেলোয়ার-বন্ধুদের নির্দিষ্ট সময়ে না-আসা, আবার কেউ না কেউ প্রায়ই অনুপস্থিত থাকা। তাই ‘ফিলার’ হিসেবে সুকুমারের জায়গাটা আমাদের মধ্যে হয়েই গিয়েছিল।  মনে পড়ে, গালি শ্রবণের পাঠটা আমরা অনেকে সুকুমারের কাছ থেকেই প্রথম নিয়েছিলাম। আমি আজো ভাবি সেই সুকুমারের কথা, যার মুখে শোনা একটি গালিতে প্রথম অনুমান করে বুঝেছিলাম নারীর সন্তান জন্মদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে। গালিতে অনর্গল সেই সুকুমার চোট পেলে বা অসন্তুষ্ট হয়ে স্বভাবসুলভভাবে গালাগাল করতে থাকত আর পুত্রের কণ্ঠ শুনেই ঘর থেকে বের হয়ে আসত ওর মা। আমাদের পুরো দলের বিরুদ্ধে ওর মায়ের যে রুদ্র-ভৈরবী মূর্তি এবং আরেক প্রস্থ গালাগালের খৈ-ফোটান অবস্থাÑ আমাদের গালি শেখার পাঠটি পোক্ত হয়েছিল সেসময়। ওর মায়ের ভয়েই সুকুমারকে একবার খেলায় নেবার পর আর বাদ দেবার চিন্তা আমরা করতাম না। আজ বুঝি, সেই গালাগাল কত বড় অস্ত্র ছিল তাদের; যে অস্ত্রের ভয়ে আমরা সুকুমারকে খেলায় একবার নিয়ে ফেললে আর বাদ দিতে সাহস পেতাম না। অথচ, ফুটবল কেনার চাঁদা সে কোনো দিন দেয় নি অথবা টাকা দেবার আর্থিক সামর্থ্য তার ছিল না!

 

গালি তাহলে সমাজ-জীবনে বেঁচে থাকার হাতিয়ার কারো কাছে? মনে পড়ে, দাদুবাড়ির মালিনী সুখঅ আর তার পরিবারের সদস্যদের কথা। আমার দাদুবাড়ির পাশে তাঁদের জমিতে ঘর বেঁধে বাস করত চার-পাঁচটি অন্ত্যজ পরিবার। তারা মূলত দাদুবাড়িতে গৃহস্থালী নানাকর্মে নিয়োজিত ছিল। এদের গালিময় ঝগড়া শোনার সুযোগ আমার হয়েছে। সেই ঝগড়ায় ব্যবহৃত অনেক গালির অর্থ সে দিন বুঝতাম না, কিছু আজো বুঝি না। তবে এই গালি যে তাদের বেঁচে থাকার হাতিয়ার ছিল, তাদের নবযৌবন সমাগতা কন্যাটিকে বখাটে ছোঁড়াদের হাত থেকে রক্ষার অস্ত্র ছিল তা ঠিক অনুমান করি। আমি দাদুবাড়িতে আত্মরক্ষার বৈধ অস্ত্র দেখেছি। এই অন্ত্যজ মানুষগুলোর কাছে বলম, তলোয়ার ছিল নাÑ ছিল গালি, সে গালি দিয়ে তারা রক্ষা করেছে নিজেদের; কখনো খেলায় স্থান করে নিয়েছে, কখনো কন্যাকে অন্যের কুদৃষ্টি থেকে বাঁচিয়েছে। 

 

কথিত ভদ্রলোকের মুখেও কি গালির নহর প্রবাহিত হয় না? তাঁদের মুখে গালি কেন? প্রশ্ন আসে। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের এক প্রাক্তন সদস্যের গালির অর্থ আমি সেদিন ঠিক বুঝতে পেরেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের প্রধান ফটকে প্রবেশ করতে গিয়ে হঠাৎ করেই তাঁর প্রাইভেট কারটি দাঁড়িয়ে থাকা একটি রিক্সার স্পর্শ লেগে আঁচড়প্রাপ্ত হয়। ড্রাইভিং সিট থেকে দ্রুত নেমে আসেন পিএসসি-র সেই প্রাক্তন বিজ্ঞ সদস্য (পিএসসির সদস্যদের ‘বিজ্ঞ সদস্য’ বলা হয়), পাশের আসন থেকে তাঁর স্ত্রীও নামেন। আঁচড়প্রাপ্ত গাড়ি দেখে প্রায় হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা স্ত্রীর অস্তিত্ব ভুলে, আমরা কয়েকজন মানুষও যে দাঁড়িয়ে ছিলাম কাছাকাছি, সে দিকে খেয়াল না করে রিক্সাচালককে পিএসসি-র সেই প্রাক্তন বিজ্ঞ সদস্য অজ্ঞের মতো উচ্চস্বরে গালাগাল করলেন। আসামির মতো দাঁড়িয়ে রইল রিক্সাচালক। নিজের অপরাধ নেই, এটা জেনেও প্রতিবাদ করল না সে। হয়তো মনে মনে প্রতিবাদের ইচ্ছে পোষণ করেছিলÑ প্রকাশ করে নি সে প্রতিবাদ। সে দিন এক পক্ষীয় গালি শুনেছিলাম দাঁড়িয়ে। আমার কাছে মনে হচ্ছিল, পিএসসি-র সেই প্রাক্তন বিজ্ঞ সদস্যের ভেতর থেকে আর একজন মানুষ বের হয়ে এসে উচ্চস্বরে গালি দিচ্ছে, যার সঙ্গে সুখঅ-র বাড়ির যে কারো গালি মিলে যায় অথবা সুকুমারের কণ্ঠও যেন শুনতে পাওয়া যায়Ñ যদিও পিএসসি-র সেই প্রাক্তন বিজ্ঞ সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক! তাহলে অন্ত্যজ বা অশিক্ষিতরাই গালি ব্যবহার করেÑ একথা কি সত্য নয়? আমাদের শৈশবে আমাদের মাবাবা যে ভয় পেয়েছিলেনÑ অন্ত্যজ শ্রেণির ছেলেদের সঙ্গে মিশলে আমরাও গালাগাল শিখে ফেলবÑ  তার ভিত্তি কম? হয়তো তাই। শিক্ষিত হলেই গালি শিখবে না বা গালি দেবে নাÑ এমন কথা নেই। অনেক শিক্ষিতই গালি ব্যবহার করেন, যেমনটি করেছেন পিএসসির সেই প্রাক্তন ‘বিজ্ঞ’ সদস্য। বোঝা যায়, তিনি ‘বিজ্ঞ’ সদস্য থাকলেও সাংস্কৃতিক শিক্ষাটি তাঁর খুবই দুর্বল। তাই গাড়িতে সামান্য আঁচড়েই তাঁর শিক্ষার মুখোশটি খসে পড়ে এবং তিনি আরেকজন সুখঅ বা সুকুমারে পরিণত হন। এই সাংস্কৃতিক শিক্ষাটিই জরুরি।

 

কখনো সংস্কৃতির জন্যই গালি কখনো বুলি হয়ে ওঠে। এই লেখার শিরোনামে যেমন লিখেছি: ‘শালার সাহিত্য’Ñ এটি কি দোষের? বাঙালি সমাজে শ্যালক অর্থে ‘শালা’ শব্দটি বলা বা লেখার কারণে কখনো তা গালির পর্যায়ভুক্ত হয়। কিন্তু ঢাকার আদি বাসিন্দারা ‘শালা’ শব্দের নির্দোষ প্রয়োগ করে থাকেন সংস্কৃতির কারণেই। ঢাকাইয়া কুট্টি ও সুব্বাসিদের ভাষায় শালা > হালা শব্দটির নির্দোষ প্রয়োগ বাঙালিদের কাছে বেশ উপভোগ্য বটে। তাই, বাবা, মা, শিক্ষক, গাছ, গরু, ছাগল সর্বত্র তারা নির্দোষভাবে শালা > হালা, শালায় > হালায় শব্দ ব্যবহার করেন। যেমন: ‘আইজকা ছার (স্যার) হালায় আমারে খুব আদর করছে।’ ‘গারি (গাড়ি) থুইয়া গরু বি হালায় দৌর (দৌড়) মারছে।’ ‘হালার ছাহিত্যের মইধ্যে তুই কি পাইছস?’ গালির ‘সম্পূর্ণ’ নির্দোষ প্রয়োগ বাঙালিদের মধ্যে কমই আছেÑ তবে ‘প্রায়’ নির্দোষ প্রয়োগ দেখা যায়। যেমন: দীনবন্ধু মিত্রের নীল-দর্পণ নাটকে তোরাপ বলেছে: ‘দুত্তোর, প্যারেকের মার প্যাট করে‌্য…’। পেরেক নামক জড় বস্তুর মা কল্পনা করে তার সঙ্গে সঙ্গমের প্রসঙ্গটি ‘প্রায়’ নির্দোষ হিসেবেই বিবেচ্য। আমাদের দেশের অপরাধ-জগতে এ রকমের ‘প্রায় নির্দোষ’ গালি প্রচলিত আছে। বাংলা সাহিত্যে এই নির্দোষ গালির ব্যবহার আছে। উপস্থাপনাকে বিশ্বাসঘন করে তুলবার জন্য উইলিয়াম কেরি তাঁর কথোপকথন গ্রন্থে যে গালি-মিশ্রিত গদ্য উপস্থান করেছেন তা বিশেষভাবে স্মরণযোগ্য। এই গ্রন্থে ‘মাইয়া কন্দল’ অর্থাৎ নারীদের ঝগড়া নামে একটি অংশ আছে। সেখানে উইলিয়াম কেরি উদ্ধৃত করেছেন:

তুমি কোথা গিয়াছিলা পাড়া বেড়ানীর সাঁজের কায কাম কিছু মনে নাই বটে।

কি কাযের দায় তুই ঠেকিয়াছিস যে এত কথা তোর লো।

আমি কাজে ঠেকি নাই তুই সকল কাযে ঠেকিয়াছিস।

তুই আমার কি কাযে ঠেকিয়া এত কথা কইস লো।

চক্ষুখাকী তোর চক্ষের মাথা খাইয়া দেখিতে পাইস না এ সকল কায কে করিয়াছে।

তোর যে বড় ঠেকারা হইয়াছে এক দিন কায করিয়া এত কইস।

পুতখাকী তুই আমার কি জানিস। তোর মত পাড়া২ মরদের কাছে আমি যাই না।

গস্তানী। তুই যেমন উহাকে ভাই২ বলিস রাত্রে তাহারে লইয়া থাকিস। সেমত আমরা নই।

আরে পেট ফেলানি খানকি। আমি কারে লইয়া থাকি। তুই কারে দেখিয়াছিস রে।

তোর যে বড় গলারে ভাইখাকী। আজি তোর অহঙ্কার ভাঙ্গিতে হবেক। তাহা নহিলে তুই নিরস্ত হবি না।

আজি তুই আমারে নিরস্ত না করিয়া যদি ভাত খাইস তবে তোর পুতের মাথা খাইস।

শুনিতে পাও তোমরা গো রাক্ষসী খানকির কথা এমত রাক্ষসীর মুখে আগুন দেওয়া উচিত।”

‘মাইয়া কন্দল’ পর্বটি বেশ দীর্ঘ। নানা ধরনের গালির উলেখ আছে এতে। উদ্ধৃতিতে উলেখকৃত গালিগুলো ছাড়াও ‘বজ্জাত’, ‘ভাতারী’, ‘ভালখাকী’, ‘ঝাটা মারা’ ইত্যাদি গালির সাবলীল ব্যবহার এই অংশে দেখা যায়। অর্থাৎ গালি বাস্তব জীবনের অনুষঙ্গ হিসেবেই সাহিত্যে স্থান করে নিয়েছে। ইংরেজদের মুখ থেকেও বাংলা সাহিত্যে গালির উদাহরণ পাওয়া যাবে। আবার স্মরণ করি দীনবন্ধু মিত্রের নীল-দর্পণ নাটকের কথা। সেখানে রোগ সাহেব একাধিক স্থানে ইংরেজি গালি ব্যবহার করেছে, বাংলা গালিও দু-একটা দিয়েছে। উদাহরণ দেওয়া যাক: 

ক. ‘তুই ঘর হইতে যা, আমার শক্তি থাকে আমি নরম করবো, নচেৎ তোর সঙ্গে বাড়ী পাঠাইয়া দিব ড্যামন্ডে হোর, আমার বোধ হইতেছে তুই বাধা করেছিলে, … …’।

খ. ‘ইন্ফরন্যাল বিচ্! এইবার তোমার ছেনালি ভঙ্গ হইবে।’

রোগ সাহেব উধসসবফ যিড়ৎব অর্থাৎ পশুর মতো বেশ্যা এবং ওহভবৎহধষ নরঃপয অর্থাৎ নরকের কুকুরি এই গালি দুটোর সঙ্গে বাংলা গালি ‘ছেনাল’ ভালোই রপ্ত করেছে। এ নাটকে ইংরেজদের মুখে গালাগালি বেশ শোনা যায়। শোনা যাবেই-বা না কেনÑ তারাওতো বাঙালিদের মতোই মানুষ। 

 

গালির প্রশ্নে সবাইকে মূল্যায়ন বোধ করি করা চলে সংস্কৃতি বা ঈঁষঃঁৎব দিয়েই; এক্ষেত্রে বাঙালি বা অবাঙালির পার্থক্য নেই। আসলে এই পার্থক্য নির্ণীত হবে সংস্কৃতিমানতার তারতম্যে। পরবর্তীকালের বাংলা সাহিত্যে, এমন কি জীবনবাদী বা অন্ত্যজ শ্রেণির সাহিত্য বলে দাবিকৃত সাহিত্যেও গালির উলেখ যে ঠিক আগের মতো (কথোপকথন বা নীল-দর্পণ) আর বিশ্বসঘনভাবে পাওয়া যায় না, তার কারণ কী? তবে কি আমাদের সমাজ থেকে গালি উঠে গেছে? উঠে যে যায় নি আমার উলেখকৃত পিএসসি-র প্রাক্তন ‘বিজ্ঞ’ সদস্যের ব্যবহারই তার প্রমাণ! তাহলে সাহিত্যে এতো রাখঢাক কেন; কথাকথিত জীবনবাদী বা গণমানুষের সাহিত্যই বা কেন এতো ‘পালিশ’ করা? এসব দেখে পুরোনো ঢাকার বাসিন্দাদের মতো বাঙালি উচ্চারণে বলবো কি-না: ‘শালার সাহিত্য’!!

🔅🔅🔅🔅🔅

অনুধ্যান

Leave a Reply

Next Post

চরু হকের গুচ্ছ কবিতা

Mon Nov 9 , 2020
চরু হকের গুচ্ছ কবিতা 🌱 আগুনের ফুল সাজিয়েছি হীরের বাগান গহন দু:খের জলে হয়েছে কি সময় ফোটাবার আগুনের ফুল এ কোন মালী তুমি,কোন দেশে বাস রক্ত ঢেলে ফোটাও গোলাপ।   নৈবেদ্য আমিতো শিখিনি মেঘ,শিখিনি আগুন জানিনা ছলা ও কলা,কটাক্ষ মদির শুধু জানি সারাটিক্ষণ, সমস্ত প্রহর অস্তিত্ব উবুড় হয়ে আছে তার […]
Shares